1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
সোমবার, ০৮ অগাস্ট ২০২২, ০৭:০১ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
শহরের প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত আলম স্টোর দোকানঘর-উদ্ধার করতে ভাইবোনের অবস্থান রাজবাড়ী-ঢাকা আন্তঃনগর ট্রেনের দাবিতে মানববন্ধন ভোলায় ছাত্রদল সভাপতিকে হত্যার প্রতিবাদে রাজবাড়ীতে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ সাবেক এমপি মরহুম এ্যাড. ওয়াজেদ আলী চৌধুরীর ৩০ তম মৃত্যু বার্ষিকী পালিত ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে উপ তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক  নির্বাচিত রাজবাড়ীর রেজাউল মহাড়কে ট্রাক থেকে গরু ডাকাতি-মুল হোতাসহ ৫ সদস্য গ্রেফতার শিশু পার্কে অশ্লীল নৃত্য ও নিষিদ্ধ পল্লীর আমেজ, সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে নিন্দার ঝড় মানুষের জন্য সাংবাদিকতা অ্যাওয়ার্ড পেলেন রাজবাড়ীর ৬জন সাংবাদিক দুস্থদের মাঝে পুনাকের পক্ষ থেকে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ শেষ মুহূর্তে জমে উঠেছে পশুর হাট-পশু বিক্রির টাকাসহ বাড়িতে পৌঁছে দেবে পুলিশ

৭১’এ রাজবাড়ীর ঠাকুর পরিবারের ৬ জন নিহতের  ৪৫ বছরেও স্বীকৃতি মেলেনি  

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১ জানুয়ারী, ২০১৭
  • ২৪৮ পঠিত

আল-আমিন, রাজবাড়ী  টুডে: ১৯৭১ সাল থেকেই বুকের ভিতরে কষ্ঠ নিয়ে বেচে আছি। চোখের সামনে বাবা মা ভাইসহ পরিবারের ছয়জন কে নির্মমভাবে হত্যা হতে দেখেছি। হারিয়েছি জীবনের সবচেয়ে বড় আশ্রয় বাবা মাকে। ছোট বেলা থেকেই এতিম হয়ে বড় হয়েছি। যে বয়সে বাবার হাত ধরে বড় হবার কথা ছিলো সে বয়সে বুকে চেপেছি আপন জন হারানোর বেদনা। আজ ২০১৬ সাল। স্বাধীনতার দীর্ঘ ৪৫টি বছর পার হয়ে গেলেও মেলেনি আমাদের মুক্তিযুদ্ধের শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি। এখন শুধু বাড়িতে সেই ৬জনকে যেখানে গণ কবর দেওয়া হয়েছিলো সেখানে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরীর দাবী জানাই। আর জীবনের শেষ ইচ্ছে মরার আগে যেন স্মৃতিস্তম্ভটি দেখে যেতে পারি’-কথা গুলো বলছিলেন জেলা সদরের শহীদ ওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদীপুর গ্রামের বাড়ইপাড়ার ঠাকুর পরিবারের প্রবীর কুমার (৫৫)।

তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালে জেলার শহীদওহাবপুর ইউনিয়নের আহলাদীপুর গ্রাম তৎকালীন নিমতলা গ্রামে পাকহানাদারদের বিরুদ্ধে মুক্তিকামী যুবকদের কে সংগঠিত করে স্থানীয়ভাবে প্রস্তুত করছিলেন স্থানীয় পল্লী চিকিৎসক ও তৎকালীন নিমতলা আওয়ামী লীগের সাধারন সম্পাদক কালিপদ ঠাকুর। কিন্তু তার এই দেশপ্রেম দেখে ক্ষুব্ধ হয় তৎকালীন পিচ কমিটির (শান্তি কমিটি) চেয়ারম্যান ওবায়দুল্লাহ মিয়া।

১৯৭১ সালের ১১ই মে ২৭শে বৈশাখ বেলা ১১টার দিকে মুক্তিকামী যুবকরা যখন কালিপদ ঠাকুরের বাড়িতে দেশ রক্ষার চেষ্টায় প্রশিক্ষণ নিচ্ছিলো ঠিক তখনই তাদের উপরে ধারালো অস্ত্র নিয়ে হামলা করে পিচ কমিটির সদস্যরা। একে একে হত্যা করে মুক্তিযুদ্ধের সংগঠক কারিপদ ঠাকুরকে,কালিপদ ঠাকুরের মা সরলা দেবীকে, স্ত্রী উষা রাণীকে, ছোট ছেলে প্রদ্যুত কুমারকে, বোন জামাই অনিল চৌধুরীকে, অনিলের ছেলে অবনী চৌধুরীকে।এ সময় জঙ্গলে লুকিয়ে থাকায় প্রাণে বেচে যান প্রবীর কুমার (৫৫)।

এদের কে হত্যা করে পিচ কমিটির সদস্যরা চলে গেলে মুক্তিকামী যুবক সাত্তার, ওহাব(যার নামে পরবর্তীতে নিমতলা শহীদ ওহাবপুর নাম করন করা হয়), সোহরাব, কুটি খা এগিয়ে এসে ৬টি নিথর মরদেহ উদ্ধার করে ঠাকুরের বাড়িতে তৈরী করা একটি মাটির নিচের ব্যাকারের মধ্যে গণ কবর দেয়।

সেই হত্যাকান্ডে প্রাণে বেঁচে যাওয়া প্রবীর কুমারের ছোট ভাই পঙ্কজ কুমার জানান, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পরে দেশ স্বাধীন হলেও আর কেও তাদের খোজ খবর নেয়নি। স্বাধীনতার ৪৫ বছর পরেও ঠাকুর পরিবার পায়নি শহীদ পরিবারের স্বীকৃতি। এখন অপেক্ষা কবে নির্মান হবে গণকবরের উপরে স্মৃতিস্তম্ভ।

এ ব্যাপারে, বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদ রাজবাড়ী সদর উপজেলা কমান্ডার মোঃ আব্দুল জলিল জানান, শহীদওহাবপুরে মুক্তিযুদ্ধে নিহত ঠাকুর পরিবারের গণকবরের উপরে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরীর জন্য প্রস্তাবণা পেশ করা হয়েছে। জমি নির্ধারনের প্রক্রিয়া চলছে। আশা করি দ্রুত সেখানে শহীদের প্রতি সম্মান জানিয়ে একটি স্মৃতিস্তম্ভ তৈরী করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
August 2022
M T W T F S S
 1
2345678
9101112131415
16171819202122
23242526272829
3031  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews