1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ০১:১৮ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বড় পর্দায় দেখানো হবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্নাঢ্য আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী দুল্লা গ্রেফতার গ্লোবাল টেলিভিশন ভবনে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদরে ১০ কৃষক পেলো পাওয়ার টিলার চালিত সিডার সদর উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজবাড়ী ইসকন মন্দিরের প্রবেশ পথ খুলে দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে আহতদের পাশে সংগীত শিল্পী ফারদিন পাংশায় স্বপরিবারে হত্যার উদ্যেশ্যে গভীর রতে বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ

রবিউল হত্যার ঘটনায় দুইটি মামলা সঠিক বিচারের আস্বাস-দিলেন, অতিরিক্ত ডিআইজি জিহাদুল কবির

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : রবিবার, ১৬ আগস্ট, ২০২০
  • ৭৫৫ পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, রাজবাড়ী টুডে: রাজবাড়ীর কালুখালিতে গভীর রাতে যুবলীগকর্মী রবিউল বিশ্বাস (৩০) নামে এক যুবকে পানিতে চুবিয়ে হত্যার ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাবানা বেগম বাদি হয়ে একটি হত্যা মামলা দায়ের করেছে।

১৬ আগস্ট রোববার দুপুরে ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছেন ঢাকা রেঞ্জের অতিরিক্ত ডিআইজি মো. জিহাদুল করিব। পরিদর্শন কালে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, এ ঘটনায় এজাহার নামীয় একজন কে গ্রেফতার সহ হত্যাকান্ডে জড়িত সন্দেহে দুই যুবককে আটক করা হয়েছে। এ ঘটনার সুষ্ঠ বিচার বলে নিহতের পরিবারকে আশ্বস্ত করেন তিনি। এছাড়া তিনি বলেন ঘটনার সাথে যদি কোন পুলিশ সদস্য জড়িত থাকে তবে তাদের কে আইনের আওতায় আনা হবে। পুলিশের উপর হামলার ঘটনায় যে মামলাটি দায়ের করা হয়েছে সেটিতে কেউ হয়রানি হবে না বলে পুলিশ নিশ্চিত করেন।

গ্রেফতারকৃতরা হলো স্থানীয় ইউসুফ মেম্বারের ছেলে সোহেল (৩০), রাসেল। এর আগে ঘটনার দিন ১৫ আগস্ট রবিউলকে হত্যার সাথে জড়িত থাকার অভিযোগে পালিয়ে যাবার পাটুরিয়া থেকে রাকিবুল নামে এক আসামীকে গ্রেফতার করে পুলিশ।

কালুখালী থানার (ওসি তদন্ত) মোঃ আব্দুল গনি বলেন, এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী সাবানা বেগম বাদি হয়ে ৫জনকে আসামী করে কালুখালি থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন। মালা নং ৯ এজাহার ভুক্ত আসামীরা হলো, ইলিয়াস(৩০),রফিক(৪৫) রাকিবুল (২৫), ইসলাম খা (৬৫) মোসেলম খা (৩৫)।

এছাড়াও কালুখালী থানা পুলিশ নিহত রবিউল বিশ্বাসের মরদেহ উদ্ধার করতে গেলে স্থানীয়দের হামলার ঘটনায় অজ্ঞাত দুই শতাধিক ব্যক্তিকে আসামী করে কালুখালী থানার উপ-পরিদর্শক সোহাগ সাহা একটি মামলা দায়ের করেন। মামলা নং ১০/ এ মামলায় অজ্ঞাতনামা প্রায় ২/৩শত মানুষ কে আসামী করা হয়েছে। এঘটনায় কাউকে গ্রেফতার করেছেন কি না তা জানতে চাইলে তিনি বলেন আমরা কাউকে এখন পর্যন্ত গ্রেফতার করিনি।

তবে ডিবি পুলিশ হয়তো গ্রেফতার করতে পারে। এ ঘটনায় রাজবাড়ীর অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. সালাহউদ্দিনকে প্রধান করে তিন সদস্যের একটি কমিটি গঠন করেছে রাজবাড়ী পুলিশ সুপার। আগামী তিন দিনের মধ্যে তারা তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করবেন।

উল্লেখ্য নিহত রবিউলের স্ত্রীর দাবী গভীর রাতে তার স্বামী রবিউল বিশ্বাস পুলিশ বাড়ি থেকে ধরে নিয়ে যায়। রাতে ধরে নিয়ে যাওয়ার পর সকালে পার্শ্ববর্তী একটি বিলে তার লাশ যায়। রবিউলের স্ত্রীর অভিযোগ, রবিউলকে ধরে নিয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেয় কালুখালী থানার এসআই ফজলুল হক।

এমন রিহৃয় বিদারক ঘটনাটি ঘটেছে কালুখালী উপজেলার মাজবাড়ি ইউনিয়নের বেতবাড়িয়া গ্রামে। স্থানীয় সুত্রে জানা গেছে রবিউল ছিলেন বেকারি ব্যবসায়ী। দোকানে দোকানে ঘুরে ঘুরে বিস্কুট সহ নানা ধরনের সামগ্রী বিক্রয় করতেন।

এলাকার কিছু চিহ্নিত মাদক ব্যবসায়ীদের ব্যবসায় বাধা দেওয়ায় তাকে হত্যা করা হয়েছে বলে জানান এলাকাবাসী। তবে রবিউলকে গ্রেপ্তারের পর সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে পুলিশ।

নিহতের বোন মাজবাড়ি ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য আমেনা বেগম জানান, বেতবাড়িয়া গ্রামের ইলিয়াস, রাকিব ও রফিকসহ স্থানীয় কয়েকজন যুবক এলাকায় মাদক ব্যবসার করে আসছিল দীর্ঘদিন যাবত। গত ১৩আগষ্ট বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে তাঁদের বাগবিতন্ডা হয়। একপর্যায়ে উভয়পক্ষের মধ্যে মারামারি এবং ধাওয়া করে মাদক কারবারীদের এলাকা থেকে তাড়িয়ে দেওয়া হয়। এ ঘটনায় চারজনের বিরুদ্ধে কালুখালী থানায় একটি মারামারির মামলা দায়ের করে মাদক ব্যবসায়ীরা।

এ মামলায় বীরমুক্তিযোদ্ধা আছিরউদ্দিন বিশ্বাসের ছেলে রবিউল বিশ্বাস, তার ভাই আক্তার হোসেন ও বাবলু সহ কয়েক জনকে আসামী করে গত ১৪/০৮/২০২০ তারিখে ঐ গ্রামের ইলিয়াস মোল্লা কালুখালী থানায় একটি মামলা দায়ের করে। এই মামলারসূত্র ধরে থানা পুলিশ বাবুল নামে একজনকে আটক করে নিয়ে যায়। শুক্রবার রাত ২টার দিকে কালুখালী থানার এসআই ফজলুলসহ তিন পুলিশ সদস্য তাদের বাড়িতে গিয়ে ঘরের দরজা-জানালা ভাঙচুর করে। তার ভাইয়ের স্ত্রীকে অকথ্য ভাষায় গালাগাল করে। এরপর তার দুই ভাই রবিউল ও আক্তারকে ধরে নিয়ে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দেয়। আকতার পালিয়ে বাঁচলেও রবিউলকে হত্যা করা হয়। শনিবার সকালে বাড়ির কাছের একটি খালে তার ভাইয়ের লাশ পাওয়া যায়। কান্নাজড়িত কণ্ঠে তিনি বলেন, ‘আমার ভাইয়ের তিনটি শিশুসন্তান এতিম হয়ে গেল। ওদের কি হবে বলে বলে কান্না করনছিল।’

নিহতের স্ত্রী সাবানা বেগম জানান, রাত ২টার দিকে এলাকার চিহৃত মাদক ব্যবসায়ী-রফিক, ইলিয়াস ও রাকিব এবং ইউসুফ মেম্বার তাদের বাড়িতে যায়। এ সময় পুলিশও তাদের সঙ্গে ছিল। গালিগালাজ করে বলে দরজা খোল। আমি ভয়ে দরজা খুলিনি। পরে তারা ঘরের দরজা ভেঙ্গে ঘরে ঢুেিক তার স্বামীকে হাতে হাত কড়া লাগিয়ে পুলিশ ধরে নিয়ে যায়। সকালে আমার স্বামীর লাশ পাওয়া যায় পাশের একটি বিলে। তিনি এ হত্যাকাÐের বিচার দাবি করেন।

এদিকে স্থানীয় এলাকাবাসী জানায়, রফিক, ইলিয়াস ও রাকিব মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত। তারাই রবিউলকে পুলিশের সহযোগিতায় হত্যা করেছে বলে তাদের তাদের ধারনা।

ভাই নিহতের ভাই আক্তার বিশ্বাস বলেন রাতে পুলিশ আসলে আমরা দুই ভাই পুলিশের ধাওয়া খেয়ে পালিয়ে বিলের মধ্যে নৌকাতে গিয়ে আশ্রয় নেই। পরে আমাদের পিছনে পুলিশ ও ইউসুফ মেম্বারের লোকজন আমাদের আরেকটি নৌকা নিয়ে ধাওয়া করে। পরে আমাদের নৌকার বৈইঠা ভেঙ্গে যায়। পরে আমি এক পাশে আর রবিউল এক পাশে দুজন দুই দিকে ঝাপ দেই। পরে আমি পালিয়ে তীরে উঠি। পরে রবিউলকে ওরা ধরে ফেলে আমার ভাই চিকিৎকার করে যে ভাই আমারে বাচা আমারে মেরে ফেললো। পরে আর কোন সারা শব্দ পাইনি। আবার আমার মামাতো ভাই বাবুল ভাইকে রাত ১২টার দিকে আটক করে ইউসুফ মেম্বারের বাড়িতে রেখে আমাদেরকে ধরার জন্য ধাওয়া করে। ঐ ইউসুফ মেম্বারের লোকজন বাবুল ভাইকে মেরে মারাত্বক ভাবে আহত করে। পরে ভোরে আমার ভাই এর লাশ পাওয়া যায়।

এ বিষয়ে স্থানীয় ইউপি সদস্য ইউসুফ হোসেনের ভাষ্য, ‘ওই এলাকা দুর্গম। এটি আমার বাড়ি থেকে পাঁচ কিলোমিটার দূরে। আমি এবার চেয়ারম্যান প্রার্থী। এ কারণে চেয়ারম্যানের লোকজন আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করে এসব কথা বলছে।’

শনিবার সকালে এসআই ফজলুলসহ তিন পুলিশ সদস্য ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর বিক্ষুব্ধ জনতা তাদের অবরুদ্ধ করে রাখে ৩পুলিশ সদস্যকে কিলঘুষিও মারে। এচাড়াও এলাকাবাসী এসআই ফজলুল ও স্থানীয় ইউসুফ মেম্বারের বিরুদ্ধে ¯েøাগান দিয়ে বিচার দাবি করেন।

(১৫ আগস্ট) শনিবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কালুখালী থানার ওসি কামরুল ইসলাম একদল পুলিশ নিয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে অবরুদ্ধ তিন পুলিশ সদস্যকে উদ্ধারের চেষ্টা চালান। ব্যর্থ হয়ে তিনি ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের খবর দিলে ১১টার দিকে রাজবাড়ী থেকে অতিরিক্ত পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে বিক্ষুব্ধ জনতার ওপর লাঠিচার্জ করে তাদের তিন সহকর্মীকে জনতার হাত থেকে উদ্ধার করেন।

এলাকাবাসী জানায়, সাম্প্রতিককালে মাজবাড়ি ইউনিয়ন এলাকায় মাদক ব্যবসা ভয়াবহভাবে বেড়েছে। এ নিয়ে মাঝেমধ্যে চলে সন্ত্রাসী কর্মকান্ড। নিহত রবিউলসহ কয়েকজন মাদক ব্যবসায় বাধা দিয়েছিলেন। এ কারণে তাকে অকালে প্রাণ হারাতে হলো। এলাকায় এখনও থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে।
কালুখালী উপজেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান ও কালুখালী উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি কাজী সাফুল ইসলাম জানান, মাজবাড়ি ইউনিয়ন মাদকে ছেয়ে গেছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে স্থানীয় লোকজন একদল মাদক কারবারিকে ধাওয়া করে। সন্ত্রাসীরা বিষয়টি ইউসুফ মেম্বারকে জানায়। এ বিষয়টি নিয়ে শুক্রবার এলাকায় সালিশ বৈঠক হওয়ার কথা ছিল। তবে ইউসুফ মেম্বার না আসায় সালিশ আর হয়নি। রাতে পুলিশ রবিউল, আক্তার ও বাবুল নামে তিনজনকে ধরে নিয়ে যায়।

এসআই ফজলুল অভিযোগ অস্বীকার করে জানান, (১৪ আগস্ট) শুক্রবার ইলিয়াস কালুখালী থানায় একটি মারামারি মামলা করেন। রাত সাড়ে ১২টার দিকে বেতবাড়িয়া গ্রামে অভিযান চালিয়ে ওই মামলার আসামি বাবুলকে গ্রেফতার করে থানায় রেখে তিনি ঘুমাতে যান। তিনি রবিউলদের বাড়িতে যাননি। কিন্তু এদিকে রাজবাড়ীর পুলিশ সুপারের বক্তব্যে দেখা যায়, পুলিশ তাদের বাড়িতে রাতে গিয়েছিল।

এসআই ফজলুলের দাবি, ভোর সাড়ে ৪টার দিকে ওসি ফোন করে জানান যে বেতবাড়িয়া গ্রামে ঝামেলা হয়েছে। এজন্য সেখানে জরুরি ভিত্তিতে যেতে বলেন। তারা সেখানে গেলে জানতে পারেন রবিউল পানিতে ডুবে মারা গেছেন। পরে লোকজন তার লাশ খুঁজে পায়। সাংবাদিকরা ঘটনাস্থলে যাওয়ার পর লোকজন উত্তেজিত হয়ে ওঠে।

কালুখালী থানা সূত্র জানিয়েছে, স্থানীয় জনগণ পুলিশ সদস্যদের অবরুদ্ধ করে রেখেছিল। পরে বিক্ষোভকারীদের ছত্রভঙ্গ করে দেওয়া হয়। লাশ নিয়ে আসতে গেলে বাধা দেয়। এ সময় থানার পাঁচ পুলিশ সদস্য আহত হন। যাদের মধ্যে এসআই ফজলুলও রয়েছেন।

রাজবাড়ীর পুলিশ সুপার মিজানুর রহমান সমকালকে বলেন, নিহত রবিউল ও তার ভাই আক্তার মারামারি মামলার আসামী ছিল। মামলার আসামি হিসেবে রাতে কালুখালী থানার পুলিশ রবিউল ও তার ভাই আক্তারকে গ্রেফতার করতে যায়। গ্রেফতারের ভয়ে তারা বাড়ি থেকে পালিয়ে মোনাই এর বিলে থাকা নৌকায় গিয়ে আশ্রয় নেয়। আক্তার বলতেছে যেটা সেটা হলো যে রাত ৪টার দিকে অপর একটি নৌকায় প্রতিপক্ষ ইলিয়াসসহ কয়েকজন ধর ধর বলে চিৎকার করলে। তাদের ভয়ে নৌকা থেকে দুই ভাই দুই দিকে ঝাপ দেয়।

আক্তার সাতার কেটে তিরে উঠতে পারলেও রবিউল উঠতে পারেনি। রবিউলের লাশ যে খানে পাওয়া গেছে ৭ফিট পানি ছিল। সে খানে পদ্দফুলের ডাটা ছিল। তার শরীরে কোন আঘাতের চিহৃ নেই। আক্তাররের দাবি হলো, আমি তো চলে আসছি রাকিব, ইলিয়াস সহ ৩জন ওর ভাইকে চুবিয়ে হত্যা করেছে। পুলিশের বিরুদ্ধে কেন অভিযোগ করা হচ্ছে যে পুলিশ রবিউলকে ধরে সন্ত্রাসীদের হাতে তুলে দিয়েছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, এসব কারও শিখিয়ে দেওয়া কথা।

কিন্তু রবিউলের শিশু বাচ্চার সাথে স্থানীয় সাংবাদিকরা কথা বলেছে সে বলছে তার বাবা বাড়িতে ছিল না পুলিশ আসছিল গালিগালাজ করছে মা দরজা খোলেনি।তবে রবিউল হত্যার সাথে জড়িতদের আইনের আওতায় আনা হবে। যদি হত্যার সাথে পুলিশের সম্পক্ততা থাকে তদন্ত সাপেক্ষে পুলিশের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
June 2022
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews