1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
সোমবার, ২৭ জুন ২০২২, ০২:৪৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বড় পর্দায় দেখানো হবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্নাঢ্য আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী দুল্লা গ্রেফতার গ্লোবাল টেলিভিশন ভবনে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদরে ১০ কৃষক পেলো পাওয়ার টিলার চালিত সিডার সদর উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজবাড়ী ইসকন মন্দিরের প্রবেশ পথ খুলে দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে আহতদের পাশে সংগীত শিল্পী ফারদিন পাংশায় স্বপরিবারে হত্যার উদ্যেশ্যে গভীর রতে বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ

নদী ভাঙ্গন এলাকা পরিদর্শনে কাজী ইরাদত আলী

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : বৃহস্পতিবার, ২৯ জুলাই, ২০২১
  • ২২১ পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, রাজবাড়ী টুডে: রাজবাড়ী শহরের গোদার বাজারের পদ্মা নদীর তীর সংরক্ষণ বাধঁ এলাকায় ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এরই মধ্যে নদী গর্ভে বিলিন হয়েছে প্রায় ৬০ মিটার বাঁধের সিসি ব্লক।নদী ভাঙ্গনের খবর পেয়ে ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করেছেন রাজবাড়ী জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী ইরাদত আলী।

গতকাল ২৭ জুলাই মঙ্গলবার বিকেল সাড়ে ৫টার দিকে রাজবাড়ী সদর উপজেলার মিজানপুর ইউনিয়ন ও পৌর এলাকার গোদারবাজার এনজিএল ইট ভাটা এলাকায় এ ভাঙ্গন দেখা দেয়।পরে সন্ধ্যার মধ্যে ইট ভাটা ও গোদার বাজার ঘাট এলাকার প্রায় ৬০ মিটার সিসি ব্লক বাঁধ ধসে যায়।

সকাল ১১টায় ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শনে যান কাজী ইরাদত আলী।পরিদর্শন শেষে তিনি পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলীকে বলেন যে কোন মূল্যে ভাঙ্গন ঠেকাতে হবে।নদীর ভাঙ্গন যদি ঠেকানো না যায তাহলে কিন্ত শহর রক্ষা বেড়িবাধঁ ভেঙ্গে যাবে। আর বাধঁ ভেঙ্গে গেলে শহর থাকবে না। তাই বাধঁ রক্ষা করার জন্য যা প্রয়োজন করেন।আমাদের কোন সহযোগিতা লাগলে বলবেন আমি যে কোন সহযোগিতা করতে প্রস্তুত আছি।এসময় তিনি নদী ভাঙ্গনরোধে দ্রুত ব্যবস্থাগ্রহন করতে পানি সম্পদ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত উপমন্ত্রী এ কে এম এনামুল হক শামীম এর কাছে মোবাইল ফোনে বর্তমান নদী ভাঙ্গনের সার্বিক পরিস্থিতি তুলে ধরেন এবং স্থায়ীভাবে শহর রক্ষা বেড়ীবাঁধ রক্ষা করার জন্য প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে বলেন।এবং লক ডাউন শেষে রাজবাড়ী নদী ভাঙ্গন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করার জন্য মন্ত্রীকে অনুরোধ জানান কাজী ইরাদত আলী।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায় বেশ কয়েকটি স্থানে ভাঙ্গনের ফলে প্রায় ৬০মিটার সিসি ব্লক নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে। পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের দ্বিতীয় পর্যায়ের কাজ চলমান থাকাকালীন এমন ভাঙন শুরু হয়। এতে ওই এলাকার এনজিএল ইটভাটা সহ শতশত বাড়িঘর হুমকির মধ্যে রয়েছে। এ ছাড়া ভাঙনে হুমকির মুখে পড়েছে রাজবাড়ী শহর রক্ষা বাঁধ। এ সময় ভাঙন প্রতিরোধে সিসি ব্লক ও বালুভর্তি জিও ব্যাগ ফেলতে দেখা যায় পানি উন্নয়ন বোর্ডকে (পাউবো)।

এর আগে ১৬ জুলাই ভাঙনের স্থান থেকে আধা কিলোমিটার পশ্চিমে শহর রক্ষা বাঁধের নদীর তীর এলাকার প্রকল্পের স্থানের কাজ শেষের দুই মাস না যেতেই প্রায় ৩০ মিটার এলাকা ভেঙে যায়।পরে ব্লক ও জিও ব্যাগ ফেলে ভাঙনরোধ করে পাউবো।

পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, রাজবাড়ী শহর রক্ষায় পদ্মা নদীর তীরে স্থায়ীভাবে সংরক্ষণের কাজ হয়েছে সাত কিলোমিটার এলাকায়।কাজটি সম্পন্ন করে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান খুলনা শিপইয়ার্ড। ভাঙনরোধে ২০১৮ সালের জুন মাসে রাজবাড়ীর পদ্মা নদীর শহর রক্ষা বাঁধের ডান তীর প্রতিরক্ষার কাজ (দ্বিতীয় পর্যায়) প্রকল্পের আওতায় রাজবাড়ী সদর উপজেলার বরাটে তিন ও মিজানপুরে দেড় কিলোমিটারসহ সাড়ে চার কিলোমিটার এবং ২০১৯-এর জুলাইয়ে শুরু হওয়া (প্রথম সংশোধিত) শহর রক্ষা বাঁধের গোদার বাজার অংশের আড়াই কিলোমিটারসহ মোট সাত কিলোমিটার এলাকায় ৪৫২ কোটি টাকা ব্যয়ে প্রকল্পের কাজ শুরু হয়। এতে দ্বিতীয় পর্যায়ের সাড়ে চার কিলোমিটারে ৩৭৬ কোটি ও প্রথম সংশোধিত ১৫২৭ মিটারে ৭৬ কোটি টাকা ব্যয় ধরা হয়। প্রকল্পের জন্য ৮.৩ কিলোমিটার অংশে ৪৯ লাখ ঘনমিটার ড্রেজিং করা হয়েছে।

নাম প্রকাশ না কারার শর্তে এক স্থানীয় বাসিন্দা বলেন, এলাকায় পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিসি ব্লক বসানোর কাজের শুরু থেকেই অনিয়ম চলে আসছিল। যার কারণে ব্লক বসানোর কয়েক মাসের মধ্যে এমন ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে।

নদী পাড়ে বসবাসকারী একাধীক ভাঙনকবলিত কয়েকজন বাসিন্দা জানিয়েছেন, গেল কয়েক বছরের নদী ভাঙ্গনে বাপদার বসত বাড়ি ফসলি জমি জমা হারিয়েছি।এখন কোন ভাবে বেচেঁ আছি।এভাবে ভাঙ্গতে থাকলে আমাদের মত হাজারো মানুষ না খেয়ে মারা যাবে।আর কত বার ভাঙ্গনের শিকার হবো জানি না। তবে পানি উন্নয়ন বোর্ডের ভাঙন প্রতিরোধ বাঁধ নির্মাণের কাজ শুরু হলে আশায় অনেক বুক বেঁধেছিলাম। কিন্তু কাজের শুরুতেই অনিয়ম হতে দেখেও মুখ খুলে কিছু বলতে পারিনি। এ অনিয়মের কারণে আজ ব্লক ধসে নদীতে বিলীন হচ্ছে। তাদের দাবি, যাতে আগামীতে ব্লক বসানোর কাজ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ নজরদারিতে রেখে শেষ করে।

পাউবোর নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুর আহাদ বলেন, ২৭ জুলাই বিকেল থেকে ভাঙ্গন শুরু হয়েছে। এটার কারন হলো নদীর গতি পথ পরিবর্তন হয়েছে। ধসে যাওয়া এলাকায় নদীর স্রোত বেশি। কাজের নকশা থেকেও এখানে বেশি কাজ করা প্রয়োজন। এ জন্য আরও পাঁচ কোটি টাকা অতিরিক্ত বরাদ্দ চেয়ে চিঠি দিয়েছি।বরাদ্দ পেলেই কাজ শুরু করা হবে।গতকাল সন্ধ্যায় হঠাৎ এনজিএল ইটভাটা এলাকায় ৬০ মিটার এলাকা নদীগর্ভে বিলীন হয়েছে। খবর পেয়ে আমি ঘটনাস্থল পরিদর্শন করি। তাৎক্ষণিক সেখানে বালুভর্তি জিও ব্যাগ ও সিসি ব্লক ফেলানোর ব্যবস্থা করি।

কাজে অনিয়মের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ব্লক ধসে যাওয়া অনিয়মের কোনো বিষয় নয়। এখনো কাজটি শেষ হয়নি। জিও ব্যাগ এবং ঠেস ব্লক, যা নদীতে ফেলার কথা ছিল, তা এখনো ফেলা হয়নি। তাই বসানো ব্লক ধসে পড়েছে। আপাতত নদীতীরের সড়ক রক্ষার্থে ব্লকগুলো দেওয়া হয়েছিল। বৃষ্টি শেষে নিয়ম অনুযায়ী সব কাজ সম্পন্ন করা হবে।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
June 2022
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews