1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
বুধবার, ২৯ জুন ২০২২, ১২:৪২ পূর্বাহ্ন
শিরোনাম :
রাজবাড়ীতে বড় পর্দায় দেখানো হবে পদ্মা সেতুর উদ্বোধনী অনুষ্ঠান বর্নাঢ্য আয়োজনে জেলা আওয়ামী লীগের প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালন বিদেশী পিস্তলসহ সন্ত্রাসী দুল্লা গ্রেফতার গ্লোবাল টেলিভিশন ভবনে সাংবাদিকদের উপর সন্ত্রাসী হামলার প্রতিবাদে মানব বন্ধন বঙ্গবন্ধু ও বঙ্গমাতা গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট ফাইনাল খেলা অনুষ্ঠিত রাজবাড়ী সদরে ১০ কৃষক পেলো পাওয়ার টিলার চালিত সিডার সদর উপজেলা মাসিক আইন শৃঙ্খলা কমিটির সভা মিথ্যা মামলা প্রত্যাহার ও রাজবাড়ী ইসকন মন্দিরের প্রবেশ পথ খুলে দেওয়ার দাবিতে সাংবাদিক সম্মেলন সীতাকুণ্ডে বিস্ফোরণে আহতদের পাশে সংগীত শিল্পী ফারদিন পাংশায় স্বপরিবারে হত্যার উদ্যেশ্যে গভীর রতে বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ

ডিসির নির্দেশ সাংবাদিকদের নো স্যাক্রিফাইস: সার্জেন্ট রাজিব

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : মঙ্গলবার, ২১ ফেব্রুয়ারী, ২০১৭
  • ২৩২ পঠিত

স্টাফ রিপোর্টার, ঢাকা: ৮ ফেব্রুয়ারি দৈনিক সমকালের প্রথম পাতায় একটি ছবি ছাপা হয়। রাজধানীর ব্যস্ত সড়কে ঝঁকি নিয়ে তিন -চার জন মোটরসাইকেলে যাতায়াতের বিষয়টি তুলে ধরা হয় সেখানে।

ছবিটির ক্যাপশন ছিলো, ঠেকানোর কেউ নেই এবং কেউই আইনের তোয়াক্কা করছে না। ছবিটা তোলা হয়েছিলো বিজয়স্মরনী মোড় থেকে। যেই এলাকাটি ট্রাফিক বিভাগ পশ্চিমের। তাই উর্দ্ধতন কর্মকর্তারা সঙ্গত কারনেই রাস্তায় কাজ করা ট্রাফিক সদস্যদের নজরদারি বাড়ানোর নির্দেশ দেন।

এই সুযোগে অনেক পুলিশ সার্জেন্ট উল্টোপথে হাটা শুরু করেন। মোটরসাইকেলে তিন-চারজন চলাচল না ঠেকিয়ে, কেউ কেউ ব্যস্ত হয়ে পরেন ছবিটি যারা তুলেছিলেন, বা যারা এসব অনিয়ম তুলে ধরেন তাদের ঠেকাতে।

সেই হয়রানির শিকার হন, বাংলাভিশন টিভির রিপোর্টার মিরাজ হোসেন গাজীসহ বেশ কয়েকজন সাংবাদিক।

মিরাজ হোসেন গাজীর ফেসবুক স্ট্যাটাস থেকে জানা যায়, সোমবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে তিনি বাইক নিয়ে অফিসে যাচ্ছিলেন। তার বাইকের সামনে বাংলাভিশনের একটি স্টিকার লাগানো আছে। ফার্মগেট গাড়ির চাপ থাকায় থেমে থেমে যানবাহন চলছে। এর মধ্যে একজন পুলিশ সার্জেন্ট রাজিব মাঝ রাস্তায় এসে বাইকসহ গাজীকে ডেকে নেন বাবুল টাওয়ারের নিচে। তখন গাজী সার্জেন্টকে অনুরোধ করে বলেন, ভাই অফিসে যাচ্ছি একটু তারা আছে, এমনিতেই লেট করে ফেলছি, চলে যাই। তখন সার্জেন্ট রাজিব বলেন, “সবাইকে ছাড় দিলেও আপনাদেরকে ( সাংবাদিক) ছাড় দেয়া হবে না। সাংবাদিকদের নো স্যাক্রিফাইস”।

মিরাজ হোসেন গাজী বলেন, কেন ভাই সবাইকে ছাড় দিলেও সাংবাদিকদের কেন নয়? সার্জেন্ট রাজিব তখন বলেন, আপনাদের এক রিপোর্টে / নিউজে আমাদের দুই লাখ পুলিশের ঘুম হারাম। তাই ডিসি স্যারের কড়া নির্দেশ, কোন ছাড় দেয়া হবে না।
কাগজ দেখান। গাজী বলেন, ভাই ড্রাইভিং লাইসেন্সটা সাথে নাই অন্য সব কাগজপত্র আছে।

কোন যুক্তির বালাই নাই, তার একটাই কথা কোন সাংবাদিকের ছাড় নাই। তিনি বলেন, আপনারা আমাদের বিরুদ্ধে নিউজ করবেন, আর আমরা কিছুই বলবো না? আপনাদের নিউজে আমদের ডাবল ডিউটি করতে হচ্ছে।

মিরাজ হোসেন গাজীর ঐ স্ট্যাটাসে বাংলাভিশনেরই ক্রাইম রিপোর্টার রিয়াদ তাদুকদার লেখেন, এই সার্জেন্ট রাজিব একই ভাবে হয়রানি ও অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। সেসময় পাশে থাকা একজন সহকারি কমিশনার ( এসি) বিষয়টি সমাধান করেন।

রিয়াদ তালুকদার লেখেন, সার্জেন্ট সাহেবের পেরেশানিতে আমিও পরেছিলাম। আচরণ এমনই সাংবাদিক দেখে দেখে গাড়ী ধরেন। তার কথা যেই হোন আপনি কিছু করার নেই। সার্জেন্ট সাহেব আপনাদের অনেক ক্ষমতা তারপরও কিছু কথা থেকে যায়……….। সেটাই……কোথাও নিউজ হলে সেটার জন্য আমাদের কাছেই ফোন আসে …… নরম সুরে ভাই বিষয়টা একটু দেইখেন ……

আরও অনেকেই কমেন্ট করে ট্রাফিক সার্জেন্টের আচরণের নিন্দা জানান।

মিরাজ হোসেন গাজীর স্ট্যাটাসের অংশবিশেষ এমন: , তিনি সাইফুল রাজিব। দেখতে স্মার্ট। তার চেয়ে বেশি তিনি দুলিয়ে দুলিয়ে, হাত পা ছড়িয়ে কথা বলেন।

ট্রাফিক সার্জেন্টের দায়িত্ব পালনের ক্ষেত্রে যে কাউকেই থামানো, অনিয়ম পেলে মামলা দেয়া ঠিক আছে।

প্রশ্ন হলো:
* সমকালের ঐ ছবির বিষয়বস্তু ছিলো, বাইকে ঝুঁকি নিয়ে তিন/চার জন বহন ঠেকানো। কিন্তু সেটা না করে, শুধু যারা এই অনিয়ম তুলে ধরে সেই মিডিয়া কর্মীদের খুজে বের করার দায়িত্ব কি ডিসি দিয়েছেন?

* শুধু সংবাদকর্মী দেখলেই বা মিডিয়ার স্টিকারযুক্ত যানাবাহনই কি আটকাতে বা মামলা দিতে বলেছেন ডিসি?

*সবাইকে ছাড় দিলেও সাংবাদিকদের ছাড় দেয়া যাবে না, এটাও কি ডিসি পশ্চিম (ট্রাফিক) এর নির্দেশ।

* আর একজন সাধারণ মানুষের সাথে পোশাক বা আগের কোন পরিচয়ের গরম দেখানো এবং অসৌজন্যমূলক আচরণ করাও কি ডিসির নির্দেশ?

** এগুলো যদি ওনার ডিসির নির্দেশ হয়, তাহলে স্যালুট পুলিশ সার্জেন্ট রাজিবকে।

ওনাকে বলছিলাম, আমার বাংলাভিশনে বছরে একটা নিউজ হয় না পুলিশের বিরুদ্ধে। কিন্তু প্রতি সপ্তাহে অন্তত তিনটা নিউজ হয় পুলিশের নানা সফলতা নিয়ে। অস্ত্র উদ্ধার, সন্ত্রাসী গ্রফতার, মাদক উদ্ধার, আসামী গ্রফতার, ট্রাফিক পুলিশের মানবেতর জীবন, টানা ডিউটি, ছুটি নাই ইত্যাদি। যেগুলো পুলিশের নিয়মিত দায়িত্বের অংশ। কিন্তু পুলিশের অসৎ সদস্যের অনিয়ম নিয়ে নিউজ হলেই সেটা অনেকেই নিজের গায়ে মেখে নিতে চান। এটা কেন হবে?

শেষে, অন্য একজন পুলিশ সার্জেন্ট (সম্ভবত এরশাদ) এসে খুব বিনয়ীভাবে কথা বলেন এবং অতি-দায়িত্ববান সার্জেন্টকে সরিয়ে দেন।

অল্প সংখ্যক পুলিশ সদস্য দিয়ে এতো অনিয়ম আসলেই ঠেকানো কঠিন। তেমনি সঠিক দায়িত্ব পালন না করে অনেকের ভিন্ন ব্যস্ততার উদাহরণও কম নয়।

সূত্র: মিরাজ হোসেন গাজীর ফেসবুক।

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
June 2022
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews