1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
বৃহস্পতিবার, ০৬ অক্টোবর ২০২২, ০২:১১ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
শারদীয় দুর্গাপূজা মন্ডপ পরিদর্শন করলেন পুলিশ সুপার যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশের রোগ মুক্তি কামনায় সোহেল রানার উদ্যোগে দোয়া মাহফিল রাজবাড়ীতে যুবলীগ চেয়ারম্যান পরশের রোগ মুক্তি কামনায় সাবেক ছাত্র লীগ নেতার উদ্যোগে মিলাদ ও দোয়া মাফিল অস্বচ্ছল পরিবারের মাঝে শারদ উপহার মিজানপুরে ৬টি দূর্গাপূজা মন্ডপে ইউনিয়ন পরিষদের আর্থিক সহায়তা অস্ত্র-গুলিসহ পৌর কাউন্সিলর ও তাঁর সহযোগী গ্রেফতার রাজবাড়ীর পদ্মা নদী থেকে অজ্ঞাত নারীর লাশ উদ্ধার রাজবাড়ী জেলা পরিষদ নির্বাচনে প্রতীক বরাদ্দ রাজবাড়ী জেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে ১, সদস্য পদে ১২ জন মনোনয়ন পত্র প্রত্যাহার করেছে সাবেক চেয়ারম্যান ও আওয়ামী লীগ নেতা লতিফ হত্যার বিচারের দাবিতে মানববন্ধন

ইয়াবার বিরুদ্ধে এশিয়ায় যুদ্ধ

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ২৮৪ পঠিত

রাজবাড়ী টুডে ডেস্ক: মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে গত জুন মাসে ক্ষমতায় বসেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। ক্ষমতায় এসেই তিনি মাদকের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ শুরু করেছেন। সেই যুদ্ধে মাত্র দুই মাসে ২ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া মাদকের বিরুদ্ধে ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে। দেশটি মাদক চোরাচালানের দায়ে কয়েকজনকে ফাঁসিও দিয়েছে।
এশিয়ার আরও দুই দেশ থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে মাদকসেবীদেরও দীর্ঘ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। এশিয়াজুড়ে মেথইমফেটামাইন বা মেথ নামের সস্তা এবং ভয়াবহ নেশাদ্রব্যের রমরমা অবস্থা। এই মেথ দিয়েই ‘ইয়াবা’ নামের ওষুধটি তৈরি হয়। থাই ভাষায় এই নামটির অর্থ ‘উত্তেজক ওষুধ’।

মাদকের করালগ্রাস থামাতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকার নিরাময় পন্থায় না গিয়ে বুলেট ব্যবহারের মতো কঠোর পন্থা নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কঠোর পন্থা ভালোর চেয়ে মন্দই বয়ে আনবে। জিওফ মোনাহান লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে ৩০ বছর ধরে কাজ করেছেন। এরপর রাশিয়ায় এইচআইভি/এইডস বিশেষজ্ঞ হিসেবে রাশিয়ার অতি কঠোর মাদক নীতির প্রভাব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট দুতার্তে মাদকের বিরুদ্ধে যে কঠোর নীতি নিয়েছেন, এর ফলে সন্ত্রাসী তৎপরতা কেবল বাড়বেই। মাদক চোরাচালানিদের বিশাল নেটওয়ার্কের মূলোৎপাটন করা সম্ভব হবে না।’

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ-সংক্রান্ত দপ্তরের (ইউএনওডিসি) হিসাব অনুযায়ী, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০০৯ সালে ১১ টন মেথ উদ্ধার হয়। ২০১৩ সালে উদ্ধার হওয়া মেথের পরিমাণ ছিল ৪২ টন। ইউএনওডিসি বলছে, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ এশিয়ার নয়টি দেশে এই মেথ ‘সবচেয়ে বড় উদ্বেগ সৃষ্টিকারী মাদক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এশিয়ার দেশগুলোর সরকারের অকার্যকর ব্যবস্থার কারণে এই মাদক ব্যবহারের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। তাঁদের কথা, সরকারের মাদক নীতি কেবল কঠোরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর ফলে মাদক ব্যবহারকারীদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু তাতে মাদকের বিপুল ব্যবহার যেমন কমেনি, তেমনি মাদক ব্যবসার নেপথ্য নায়কদের ধরা সম্ভব হয়নি। ইউএনওডিসি বলেছে, শুধু ২০১৩ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মেথের ব্যবসার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
ইউএনওডিসির এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জেরেমি ডগলাস বলেন, ‘আমি বলতে পারব না সর্বশেষ কখন কোনো বড় মাদক ব্যবসায়ীকে ধরার কথা আমি শুনেছি।’

সূত্র: রয়টার্স

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
October 2022
M T W T F S S
 123
45678910
11121314151617
18192021222324
252627282930  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews