1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
বৃহস্পতিবার, ০২ ফেব্রুয়ারী ২০২৩, ০৮:২৯ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
আইনজীবি আশীষ গুহের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত নথি চুরির মামলার কার্যক্রম স্থগিতের আদেশ বালিয়াকান্দিতে মাটি বাহী টাক্টর চাপায় শিশুর মৃত্যু ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি‘র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান‘র ৮৭তম জন্মদিন পালিত রাজবাড়ীতে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজবাড়ীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নতুন কৌশলে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছে অপরাধী চক্রঃ এম দাদুল হক শিশুদের বিনোদনের জন্য রাজবাড়ীতে মাসব্যাপী বিজয় আনন্দ মেলার উদ্বোধন রাজবাড়ীতে গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ধরা ছোয়ার বাইরে: খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জবিউল্লাহ রাজবাড়ীতে ছাত্রলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত

শেখ হাসিনার অধিনেই জাতীয় নির্বাচনে যাচ্ছে বিএনপি?

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৩৩৭ পঠিত

বিশেষ প্রতিনিধি(রাজবাড়ী টুডে): অবশেষে শেখ হাসিনার অধীনেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে যাওয়া কথা ভাবছে বিএনপি। বিএনপির কোনো কোনো নেতা মনে করেন, নির্বাচনে জনগণ ভোট দিতে পারলে বিএনপিই ক্ষমতায় আসবে। সেই নির্বাচন যার অধীনেই হোক। কোনো নেতার মতে, অন্ততপক্ষে বেশ সংখ্যক অাসন নিয়ে বিরোধী দলেও যাওয়া যাবে। এমন নানা আলোচনা চলছে ভিতরে ভিতরে।

বিএনপি নেতারা মনে করেন, ‘সরকারের ওপর দেশি-বিদেশি চাপ রয়েছে সবার অংশগ্রহণের নির্বাচন করতে। এছাড়াও গেলো জাতীয় নির্বাচনসহ কয়েকটি স্থানীয় সরকার নির্বাচনেও মানুষ শান্তিপূর্ণভাবে ভোট দিতে পারেনি। এই ক্ষোভ থেকে আগামী নির্বাচনে বিএনপিকেই জনগণ ভোট দিবে।’তাই যেকোন পদ্ধতির নির্বাচনে যাওয়ার পক্ষে অনেক নেতা।

এর আগে, নির্দলীয় সরকারের অধীনে জাতীয় নির্বাচন নয়, এই দাবিতে অনড় অস্থানে থেকে ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি জাতীয় নির্বাচন বর্জন করে বিএনপি নেতৃত্বাধীন ২০ দলীয় জোট।

সেই নির্বাচন ঠেকাতে টানা কর্মসূচিও দেয় জোট। কিন্তু বিএনপি বিহীন নির্বাচন করেই ফেলে আওয়ামী লীগ। নির্বাচনের গ্রহনযোগ্যতা নিয়ে প্রশ্ন থাকলেও টানা দ্বিতীয় মেয়াদে ক্ষমতায় বসেন শেখ হাসিনার নেতৃত্বের সরকার। নির্বাচনে অংশ না নেয়ায়,তার পর থেকেই সংসদীয় বিরোধীদল থেকেও ছিটকে যায় বিএনপি।

তার পর থেকেই সভা-সমাবেশে নিরপেক্ষ নির্বাচনের দাবিতে বক্তব্য দিতে থাকেন নেতারা। এমনকি বেগম খালেদা জিয়া নিজেও বিভিন্ন সময় বলে আসছেন, ‘নিরপেক্ষ সরকার ছাড়া জাতীয় নির্বাচন নয়।’

এই কঠোর অবস্থানে থেকে ২০১৫ সালের ৫ জানুয়ারি ‘একতরফা নির্বাচনের’ বর্ষপূর্তিতে কর্মসূচি দেয় বিএনপি। কিন্তু এক দিন আগে গুলশান কার্যালয়ে অবরুদ্ধ হন বেগম খালেদা জিয়া। সেখানে অবস্থান করে টানা ৯৩ দিন অবরোধ কর্মসূচি পালনের নির্দেশ দেন ২০ দলীয় জোট নেত্রী । কোন প্রস্তুতি ছাড়া সেই আন্দোলনে ফল আসেনি। উল্টো এই সময়ে সারা দেশে পেট্রোলবোমায় হতাহত হন অসংখ্য মানুষ।

বিএনপি অস্বীকার করলেও, এর দায়ে সারা দেশের নেতাকর্মীদের নামে হতে থাকে একের পর এক মামলা। এলাকা ছাড়া হন বিএনপির অনেক প্রভাবশালী নেতাও। আত্মগোপনে চলে যান বিএনপির শীর্ষ নেতারাও। শুধু তৃণমূলে কিছুটা সক্রিয় দেখা যায় নেতাকর্মীদের। সেই ইস্যুতে মাঠ ছাড়া হয় বিএনপি। নেতাদের দাবি মতে, এখনো লক্ষাধিক মামলা বিএনপির তৃণমূল থেকে কেন্দ্রীয় নেতাদের ঘাড়ে। বাদ যাননি চেয়ারপার্সন বেগম খালেদা জিয়াও।

তৃণমূলের অনেক নেতা বলেন, ৫ জানুয়ারির নির্বাচনে না যাওয়ার খেসারতে এখন মৃত প্রায় বিএনপি। যদিও ভিন্ন মতও রয়েছে। অনেকেই মনে করেন, আপোষহীনতার কারনে বিএনপির জনপ্রিয়তা কমেনি। আর সেই নির্বাচনে গেলো ফলাফল ভালো হতো না, এমন কথাও বলেছেন অনেকেই।

বিএনপির একটি অংশ মনে করছে, সরকার দ্রুতই একটি জাতীয় নির্বাচন দিতে যাচ্ছে। সেই নির্বাচনে অংশ নেয়ার সুযোগ হাতছাড়া করা ঠিক হবে না।

সম্প্রতি প্রধানমন্ত্রীও দলীয় নেতাদের এলাকায় কাজ করার নির্দেশ দেন। আওয়ামী লীগের ভিতরেও আগাম নির্বাচনের গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে বলে খবরও প্রকাশ পায়।

এদিকে রবিবার রংপুরে এক অনষ্ঠানে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান এইচ এম এরশাদ বলেছেন ১ অক্টোবর থেকে আগামী নির্বাচনের প্রচারণা শুরু করবেন তিনি। এতে করে অনেকেই মনে করছেন শিগগিরি একটি জাতীয় নির্বাচন হতে যাচ্ছে।

বর্তমান সংবিধান অনুসারে জাতীয় নির্বাচন হতে হবে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অধীনেই। সেই নির্বাচনে কি অংশ নেবে বিএনপি? এমন প্রশ্নের উত্তর শনিবার জাতীয় প্রেসক্লাবে এক অনুষ্ঠানে দিয়েছেন, বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান শামছুজ্জামান দুদু। সরকারের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন,’দেশের মানুষ একটি গ্রহনযোগ্য নির্বাচন চায়। আসুন না একটা নির্বাচন করি। হোক না তা শেখ হাসিনার অধিনে। এ নিয়ে আলোচনা হতে পারে।’

দুদু আরও বলেন, ‘নির্বাচনকালীন সরকার নিয়ে আলোচনা হতে পারে, কার কোন দায়িত্ব, কে কি কাজ করবে, র্যাবে কে থাকবে, পুলিশে কে থাকবে এসব বিষয় নিয়ে আলোচনা হতে পারে।

এতোদিন ‘নিরপেক্ষ সরকারের অধীনে ছাড়া নির্বাচনে অংশ নয়’ এমন কথা বললেও বিএনপির সিনিয়র এই নেতার ভিন্ন বক্তব্যে ব্যাপক আলোচনা শুরু হয়েছে।

এর আগে ১৮ আগস্ট বিএনপির নীতিনির্ধারণী ফোরাম স্থায়ী কমিটির বৈঠকেও নির্বাচনের অংশ নেয়ার বিষয়ে আলোচনা হয় বলে সূত্র জানিয়েছে। তবে বৈঠকে এ নিয়ে কোন সিদ্ধান্ত হয়নি।

স্থায়ী কমিটির সদস্য গয়েশ্বর চন্দ্র রায় বলেন,’বিএনপি সব সময় নির্বাচনে অংশ নিতে চায়। তবে তা হতে হবে গ্রহণযোগ্য।’

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
February 2023
M T W T F S S
 123456
78910111213
14151617181920
21222324252627
28293031  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews