1. [email protected] : editor : Meraj Gazi
  2. [email protected] : admin :
  3. [email protected] : zeus :
সোমবার, ৩০ জানুয়ারী ২০২৩, ০৫:১৬ অপরাহ্ন
শিরোনাম :
বালিয়াকান্দিতে মাটি বাহী টাক্টর চাপায় শিশুর মৃত্যু ছাত্রদলের উদ্যোগে বিএনপি‘র প্রতিষ্ঠাতা জিয়াউর রহমান‘র ৮৭তম জন্মদিন পালিত রাজবাড়ীতে মহিলা পরিষদের উদ্যোগে কম্বল বিতরণ বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে রাজবাড়ীতে আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল নতুন কৌশলে মাদক কারবার চালিয়ে যাচ্ছে অপরাধী চক্রঃ এম দাদুল হক শিশুদের বিনোদনের জন্য রাজবাড়ীতে মাসব্যাপী বিজয় আনন্দ মেলার উদ্বোধন রাজবাড়ীতে গৃহবধুকে কুপিয়ে হত্যার চেষ্টা নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের দাম ধরা ছোয়ার বাইরে: খালেদা জিয়ার উপদেষ্টা জবিউল্লাহ রাজবাড়ীতে ছাত্রলীগের ৭৫ তম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী পালিত অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে-দ্বিতীয়- রাজবাড়ী জেলা পুলিশ

ইয়াবার বিরুদ্ধে এশিয়ায় যুদ্ধ

নিউজ ডেস্ক
  • প্রকাশিত : সোমবার, ১২ সেপ্টেম্বর, ২০১৬
  • ৩৬৯ পঠিত

রাজবাড়ী টুডে ডেস্ক: মাদকের বিরুদ্ধে যুদ্ধের ঘোষণা দিয়ে গত জুন মাসে ক্ষমতায় বসেন ফিলিপাইনের প্রেসিডেন্ট রদ্রিগো দুতার্তে। ক্ষমতায় এসেই তিনি মাদকের বিরুদ্ধে রক্তাক্ত যুদ্ধ শুরু করেছেন। সেই যুদ্ধে মাত্র দুই মাসে ২ হাজার ৪০০ জন নিহত হয়েছে। ইন্দোনেশিয়া মাদকের বিরুদ্ধে ‘জরুরি অবস্থা’ জারি করেছে। দেশটি মাদক চোরাচালানের দায়ে কয়েকজনকে ফাঁসিও দিয়েছে।
এশিয়ার আরও দুই দেশ থাইল্যান্ড ও মিয়ানমারে মাদকসেবীদেরও দীর্ঘ মেয়াদে কারাদণ্ড দেওয়া হচ্ছে। এশিয়াজুড়ে মেথইমফেটামাইন বা মেথ নামের সস্তা এবং ভয়াবহ নেশাদ্রব্যের রমরমা অবস্থা। এই মেথ দিয়েই ‘ইয়াবা’ নামের ওষুধটি তৈরি হয়। থাই ভাষায় এই নামটির অর্থ ‘উত্তেজক ওষুধ’।

মাদকের করালগ্রাস থামাতে এশিয়ার বিভিন্ন দেশের সরকার নিরাময় পন্থায় না গিয়ে বুলেট ব্যবহারের মতো কঠোর পন্থা নিয়েছে। বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এই কঠোর পন্থা ভালোর চেয়ে মন্দই বয়ে আনবে। জিওফ মোনাহান লন্ডন মেট্রোপলিটন পুলিশের গোয়েন্দা কর্মকর্তা হিসেবে ৩০ বছর ধরে কাজ করেছেন। এরপর রাশিয়ায় এইচআইভি/এইডস বিশেষজ্ঞ হিসেবে রাশিয়ার অতি কঠোর মাদক নীতির প্রভাব গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছেন। তিনি বলেন, ‘প্রেসিডেন্ট দুতার্তে মাদকের বিরুদ্ধে যে কঠোর নীতি নিয়েছেন, এর ফলে সন্ত্রাসী তৎপরতা কেবল বাড়বেই। মাদক চোরাচালানিদের বিশাল নেটওয়ার্কের মূলোৎপাটন করা সম্ভব হবে না।’

জাতিসংঘের মাদক ও অপরাধ-সংক্রান্ত দপ্তরের (ইউএনওডিসি) হিসাব অনুযায়ী, পূর্ব ও দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় ২০০৯ সালে ১১ টন মেথ উদ্ধার হয়। ২০১৩ সালে উদ্ধার হওয়া মেথের পরিমাণ ছিল ৪২ টন। ইউএনওডিসি বলছে, ইন্দোনেশিয়া, ফিলিপাইন, থাইল্যান্ডসহ এশিয়ার নয়টি দেশে এই মেথ ‘সবচেয়ে বড় উদ্বেগ সৃষ্টিকারী মাদক’ হিসেবে চিহ্নিত হয়েছে।

বিশেষজ্ঞরা বলেছেন, এশিয়ার দেশগুলোর সরকারের অকার্যকর ব্যবস্থার কারণে এই মাদক ব্যবহারের পরিমাণ দিন দিন বাড়ছে। তাঁদের কথা, সরকারের মাদক নীতি কেবল কঠোরতার মধ্যেই সীমাবদ্ধ। এর ফলে মাদক ব্যবহারকারীদের অপরাধী হিসেবে চিহ্নিত করা হয়। কিন্তু তাতে মাদকের বিপুল ব্যবহার যেমন কমেনি, তেমনি মাদক ব্যবসার নেপথ্য নায়কদের ধরা সম্ভব হয়নি। ইউএনওডিসি বলেছে, শুধু ২০১৩ সালে দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় মেথের ব্যবসার পরিমাণ ছিল ১ হাজার ৫০০ কোটি ডলার।
ইউএনওডিসির এশিয়া-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চলের প্রধান জেরেমি ডগলাস বলেন, ‘আমি বলতে পারব না সর্বশেষ কখন কোনো বড় মাদক ব্যবসায়ীকে ধরার কথা আমি শুনেছি।’

সূত্র: রয়টার্স

শেয়ার করুন

Leave a Reply

Your email address will not be published.

এই জাতীয় আরো খবর
January 2022
M T W T F S S
 12
3456789
10111213141516
17181920212223
24252627282930
31  
© All rights reserved © 2013 Todaybangla24
Theme Customized BY LatestNews